ফুলকপির রুটি- গ্লুটেন ফ্রি

ফুলকপির রুটিঃ
দেহকে ডিটক্সিফাই করতে ফুলকপির তুলনা নেই। তাই আমাদের আজকের রেসিপি প্রধান উপকরণ এই ফুলকপি।

ফুলকপি ক্রুসিফেরাস গোত্রীয় সবজি।এটি এমন একটি সবজি দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় যার পুনরাবৃত্তি থাকা বাঞ্ছনীয়। কারণ এটি বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি উপাদানে ভরপুর যেমন- ভিটামিন, মিনারেল, এন্টি-অক্সিডেন্ট ও অন্যান্য ফাইটোক্যামিকেল।

বিশেষত যারা সিলিয়াক ডিজিস বা গ্লুটেন ইনটলারেন্সের সমস্যার কারণে দীর্ঘ দিন যাবত রুটি , পরোটা , লুচি ইত্যাদি খাওয়া হতে নিজেদের বঞ্ছিত করে রেখেছেন, তাদের জন্যে এই রেসিপি একেবারে যথাযথ।একে সাধারণ রুটির মতই খাওয়া যাবে। তাহলে চলুন আর দেরি না করে চলে যাই মূল রেসিপি তে-
উপকরনঃ
– একটি ফুলকপি
– ১/৪ চা চামচ লবন
– কুচি করা একটি রসুনের কোয়া
– পছন্দ অনুযায়ী ফ্রেশ হার্ব (ধনেপাতা, পুদিনাপাতা ইত্যাদি)
তৈরি পদ্ধতিঃ
১.একটি ফুলকপির ফুল গুলো আলদা করে নিয়ে চুলায় ৮ মিনিট ভাপে সিদ্ধ করি। সিদ্ধ করা ফুলকপি থেকে পরিষ্কার নরম কাপড় দিয়ে পানি নিঙ্গড়ে বের করি।
২.ওভেনকে ৩৭৫ ডিগ্রী ফারেনহাইট বা ১৯০ ডিগ্রী সেলসিয়াসে প্রি-হিট করি।
৩.এবারে একটি বাটিতে তৈরিকৃত ফুলকপি থেকে অর্ধেক পরিমাণে নিয়ে, এতে দু’টি ডিম, ১/৪ চা চামচ লবন, প্রয়োজন মতো ফ্রেশ হার্ব, কুচি করা এক কোয়া রসুন নিয়ে উপকরণগুলো ভাল মতো মিশিয়ে নেই।
৪.এবারে ১/৪ কাপ মিশ্রণ নিয়ে একটি বেকিং শিটে বৃত্তাকারে ছড়িয়ে দেই। ওভেনে ১৫-১৭ মিনিট বেক করি বা রুটিগুলো শুষ্ক ও নরম হওয়া পর্যন্ত বেক করি।
৫.একটি স্পেচুলার সাহায্যে রুটিগুলো বেকিং শিট থেকে তুলে, ঠাণ্ডা হওয়ার জন্যে অপেক্ষা করি।
এভাবে উপরুক্ত পরিমাণ অনুসারে একবার বানান মিশ্রণ থেকে চারটি ফুলকপির রুটি পাওয়া যায়। রুটিগুলো নরম হয়, ভাঁজ করা যায় এবং ভঙ্গুর নয়। ব্যাস! তৈরি হয়ে গেল সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর ফুলকপির রুটি।

প্রতি পরিবেশন থেকে পাইঃ
পুষ্টি উপাদান —-পরিমাণ
ক্যালরি         —- ৫৫ কি.ক্যালরি
পটাশিয়াম   —– ২২৭ মি.গ্রাম
ফ্যাট          —– ৩ গ্রাম
মোট শর্করা —– ৪ গ্রাম
প্রোটিন    —–  ৪ গ্রাম
সম্পৃক্ত ফ্যাট — ১ গ্রাম
খাদ্য আঁশ   —– ২ গ্রাম
সোডিয়াম   —– ৫৮ মি.গ্রাম

লেখক-
জেরিন তাসনিম,
খাদ্য–পুষ্টি বিজ্ঞান বিভাগ

3,412 total views, 2 views today

Any opinion ..?

Posted by pushtibarta

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *