কোন আন্টিবায়োটিকটি আপনার জন্য?

– বাবা, অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ নিয়ে এসো তো।
– কেনো রে মা?
– ছোটনের জ্বর এসেছে। ভাইরাস জ্বর মনে হচ্ছে।
– আচ্ছা, নিয়ে আসবো।

উপরের চিত্রটি আমাদের চারপাশের খুবই পরিচিত একটি চিত্র। আমরা একটু কিছু হলেই অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করে থাকি। এই অতি পরিচিত অ্যান্টিবায়োটিক এর পরিচয় অনেকের কাছেই অজানা। তাই অনেক সময় মনে প্রশ্ন আসে –

অ্যান্টিবায়োটিক – আশির্বাদ না অভিশাপ!

অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে বহুল ব্যবহৃত একটি পরিভাষা। মূলত অ্যান্টিবায়োটিক শব্দটির অর্থ হচ্ছে “against life” যার বাংলা অর্থ করলে দাঁড়ায় “জীবনের বিপরীতে”। কিন্তু এর পরিচিত ও ব্যবহৃত অর্থ হচ্ছে এমন একজাতীয় ঔষধ যা অনুজীব বিশেষ করে ব্যাকটেরিয়া ধংস করে অথবা ব্যাক্টেরিয়ার প্রজননকে বাঁধাগ্রস্থ করে দেহে এর সংক্রমন প্রতিহত করে। এটা পড়ে আবার মনে করবেন না যেন যে ব্যাক্টেরিয়া শুধু ক্ষতিই করে। ব্যাক্টেরিয়ার উপকারী ভূমিকাও বিদ্যমান। এমনকি এই যে অ্যান্টিবায়োটিক – এটিও কিন্তু এক শ্রেনির ব্যাক্টেরিয়া ও ফাঞ্জাই থেকেই বিশেষ প্রক্রিয়ায় উদ্ভূত। অবাক হয়ে গেলেন তো? কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার প্রবাদটি শুনেছেন নিশ্চয়ই। অ্যান্টিবায়োটিক এর ব্যাপারটিও খানিকটা অমনই।

যেহেতু অ্যান্টিবায়োটিক ব্যাক্টেরিয়া হতে উদ্ভূত তাই এটি প্রধানত কাজ করে ব্যাক্টেরিয়া তথা ব্যাক্টেরিয়াঘটিত সংক্রমনের উপরই। আর এইখানেই সাধারন মানুষ ধরা খেয়ে যাই। কারণ কোনটি ব্যাকটেরিয়াঘটিত সংক্রমণ আর কোনটি নয় তা আমরা জানি না। আর না জানলে ভুল তো হবেই। আর ফলাফল উপরের বর্নিত চিত্রটি। অর্থাৎ, ভাইরাস জ্বরে অ্যান্টিবায়োটিক এর ব্যবহার। ভাইরাস জ্বরে অ্যান্টিবায়োটিক সেবনে কী হতে পারে সেই বিষয়ে পরে আসছি। আগে জেনে নেওয়া যাক ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমনঘটিত এমন কয়েকটি রোগের নাম যেক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক ক্রিয়াশীল-

  • কানের প্রদাহ ও সাইনাসের প্রদাহ
  • ত্বকের প্রদাহ
  • মেনিনজাইটিস ( মস্তিষ্ক ও সুষুম্না স্নায়ুর প্রদাহ)
  • গলা ব্যথা সাথে হাল্কা জ্বর (ব্যক্টেরিয়াঘটিত সংক্রমণ কি না তা ডাক্তারি পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত হতে হবে )
  • মূত্রথলি ও কিডনি প্রদাহ
  • ব্যাক্টেরিয়াল নিউমোনিয়া
  • হুপিং কাশি, ইত্যাদি

এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের সার্জারির ক্ষেত্রে ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমন প্রতিহত করার জন্য অ্যান্টিবায়োটিক সেবন প্রয়োজনীয় হয়ে ওঠে এবং তা অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী।

এবার আসা যাক ভাইরাসঘটিত রোগ ও অ্যান্টিবায়োটিক সেবন প্রসঙ্গে। এজন্য প্রথমে জানতে হবে ভাইরাসঘটিত সংক্রমনগুলো কী কী –

  • সাধারন ঠান্ডা-জ্বর
  • কাশি
  • ডেঙ্গু জ্বর
  • ইনফ্লুয়েঞ্জা
  • হেপাটাইটিস
  • র‍্যাবিস
  • মাম্পস্‌
  • পক্স
  • রোটাভাইরাস ডায়রিয়া, ইত্যাদি।

ভাইরাসঘটিত সংক্রমনের ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক কোন প্রকার কাজেই আসে না। বরং এক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক সেবনে হতে পারে হিতে-বিপরীত। কেন হিতে-বিপরীত বলছি জানতে ইচ্ছে করছে তো? তাহলে শুনুন। অ্যান্টিবায়োটিক, যা কি না ব্যাক্টেরিয়ার উপর কাজ করে সেই একই উপাদান ভাইরাস এর উপর কাজ করতে অক্ষম। কেননা অ্যান্টিবায়োটিকজাতীয় ঔষধগুলো তৈরীই হয় ব্যক্টেরিয়াকে প্রতিহত করার জন্য। ভাইরাসকে প্রতিহত করার জন্য রয়েছে ভ্যাকসিন। ব্যপারটা অনেকটা যার কাজ তাকেই সাজে এর মতন। এমন অবস্থায় যদি কেও ভাইরাসঘটিত রোগে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করে তবে সেই অ্যান্টিবায়োটিক তো তার উপযুক্ত কোন কাজ করতে পারবেই না উপরন্তু সেটি যে ব্যাক্টেরিয়ার জন্য ক্রিয়াশীল তা দেহে সংক্রমন ঘটানোর আগে নিজেকে পরিবর্তন করে ফেলবে। ফলে পরবর্তীতে যদি দেহে ব্যক্টেরিয়াঘটিত সংক্রমন দেখা যায় তবে আগের সেই অ্যান্টিবায়োটিকটি আর কাজ করবে না। কেননা ব্যাক্টেরিয়া ও অ্যান্টিবায়োটিক অনেকটা তালা-চাবির মতন কাজ করে। অর্থাৎ একজাতীয় ব্যাক্টেরিয়ার জন্য নির্দিষ্ট একজাতীয় অ্যান্টিবায়োটিক ক্রিয়াশীল। সেক্ষেত্রে ঐ ব্যাক্টেরিয়াটি হয়ে যাবে উক্ত অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিবন্ধ যাকে আমরা বলি অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স। অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স হওয়ার ক্ষেত্রে ভাইরাসঘটিত সংক্রমনে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন একমাত্র কারন নয়। এর পিছনে আরও কিছু দায়ী কারনসমূহ হল-

১। অ্যান্টিবায়োটিক এর যথেচ্ছা ব্যবহারঃ  অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স এর অন্যতম একটি কারন হচ্ছে নিজের খেয়াল খুশি মতন অ্যান্টিবায়োটিক সেবন। আজকাল চারপাশে একটি বিষয় খুব লক্ষ্যনীয় যে হাল্কা জ্বর, সর্দি-কাশি হচ্ছে তো ঔষধের দোকানে যাও আর “ভাই, একটা অ্যান্টিবায়োটিক দেন দেখি।“ বলে ইচ্ছে মতন অ্যান্টিবায়োটিক ক্রয় করে সেবন করো। আরে ভাই অ্যান্টিবায়োটিক এর তো কতশত রকমফের আছে। আপনি কি জানেন নাকি যে আপনার রুগীর জন্য কোনজাতীয় অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন বা আদৌ প্রয়োজন কি না?

রোগ সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারনা না নিয়ে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করলে সেই অ্যান্টিবায়োটিক কোন ব্যাক্টেরিয়ানাশে ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয় না। বরং তা ব্যাক্টেরিয়াকে আরও শক্তিশালী করে তোলে। ফলে পরবর্তীতে সেই শক্তিশালী ব্যাক্টেরিয়া যখন সংক্রমণ ঘটায় তখন তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়।

২। অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণের মেয়াদ সম্পূর্ণ না করাঃ  অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণের ক্ষেত্রে ডাক্তার পাঁচ দিন, সাত দিন বা ক্ষেত্রবিশেষে আরও দীর্ঘ মেয়াদী কোর্স দিয়ে থাকেন। অ্যান্টিবায়োটিক সেবন শুরু করার কিছুদিন পর যখন শারীরিক অবস্থার উন্নতি হতে থাকে তখন রোগী ডাক্তারের দেওয়া নিয়ম না মেনে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন বন্ধ করে দেন। এর ফলস্বরূপ সংক্রমণকারী ব্যাক্টেরিয়া দূর্বল হওয়ার বদলে আরও শক্তিশালী হয়ে যায় এবং এটার উপর প্রয়োগকারী অ্যান্টিবায়টিকে আর কাজ করে না।

ভাবনা আসতেই পারে যে কিছুদিন তো অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করা হয়েছে তবুও কীভাবে ব্যাক্টেরিয়া আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে, তাই না? এর উত্তর হচ্ছে, কিছুদিন ব্যাক্টেরিয়াটির উপর অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ করায় এটি দূর্বল হয়ে পড়ে আর যখনই অ্যান্টিবায়োটিক এর প্রয়োগ হঠাৎ করে বন্ধ করে দেওয়া হয় তখন ব্যাক্টেরিয়াটি ধীরে ধীরে দূর্বলতা কাটিয়ে উঠে এবং নিজেকে খানিকটা পরিবর্তন করে ফেলে। ফলে পরবর্তীতে যখন আবার এই ব্যাক্টেরিয়া সংক্রমণ ঘটায় তখন আর পূর্বে প্রয়োগকৃত অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করে না। অর্থাৎ ব্যাক্টেরিয়াটি অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স হয়ে যায়।

৩। অনুপযুক্ত অ্যান্টিবায়োটিক এর প্রয়োগঃ অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় যে ডাক্তারের নির্দেশনা অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করলেও অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এমনটা হয় যদি প্রেসক্রিপশনে দেওয়া অ্যান্টিবায়োটিকটি কোন কারনে রোগীর শারীরিক পরিস্থিতির সাথে খাপ না খায়, অর্থাৎ কোন প্রকার শারীরিক সমস্যা প্রতীয়মান হয়। এরূপ হওয়ার কারন হতে পারে নির্দেশনায় প্রদত্ত অ্যান্টিবায়োটিকে রোগীর অ্যালার্জী আছে বা অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে অন্য যে ঔষধ দেওয়া হয়েছে তা কোন কারনে একসাথে কাজ করতে পারছে না অথবা অন্য যেকোন কারন। তাই কোন অ্যান্টিবায়োটিক সেবন শুরু করার পর কোনরূপ অস্বাভাবিকতা অনুভূত হলে যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। অন্যথায় ভুল ঔষধ প্রয়োগে শারীরিক সমস্যা তো বৃদ্ধি পাবেই, উপরন্তু অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স হতে পারেন।

এখন নিশ্চয়ই ভাবছেন যে কী ধরনের অস্বাভাবিকতাকে আমলে নিবেন এবং বুঝবেন যে আপনার উপর প্রয়োগকৃত অ্যান্টিবায়োটিকটি সঠিকভাবে কাজ করছে না। এবার আপনাদেরকে সেই লক্ষণগুলো সম্পর্কে জানাচ্ছি-

  • ডায়রিয়া
  • বদহজম
  • বমিভাব
  • বমি
  • ফুসকুরি বা র‍্যাশ ওঠা
  • পেট ফাঁপা
  • শ্বাস কষ্ট

উক্ত লক্ষণগুলো যদি খুব বেশি পীড়াদায়করূপে দেখা দেয় তবে আপনার সেবনকৃত অ্যান্টিবায়োটিক সম্পর্কে সচেতন হোন। মনে রাখবেন  আপনার একটি ভুল শুধু আপনার নয় বরং সমস্ত মনুষ্যকূলের জন্য মারাত্মক হুমকির কারন হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

এতক্ষণ তো অ্যান্টিবায়োটিক সম্পর্কে  অনেক তথ্য জানলাম। এবার একটি চমকপ্রদ তথ্য আপনাদের সামনে উপস্থাপন করতে যাচ্ছি। আমাদের চারপাশের অতিপরিচিত কিছু খাদ্য রয়েছে যেগুলো প্রাকৃতিকভাবে অ্যান্টিবায়োটিক গুনসম্পন্ন। চলুন সেই খাদ্যগুলোর সাথে পরিচিত হওয়া যাক-

১। রসুনঃ প্রতিদিনের রান্নার বহুল ব্যবহৃত উপাদান হচ্ছে রসুন। এর ভেষজ গুনাবলীর জন্যও এটি বেশ পরিচিত। রসুন Salmonella, E.coli  ইত্যাদি ব্যাক্টেরিয়ার বিপরীতে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে সক্ষম।

২। মধুঃ মধুকে বলা হয় প্রাকৃতিক মহৌষধ। মধুতে বিদ্যমান উপাদান ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমন প্রতিরোধ করতে সক্ষম। বিভিন্ন সময়ে করা গবেষণায় উঠে এসেছে মধুর এ অ্যান্টিবায়োটিক বৈশিষ্ট্য। মধু প্রায় ৬০ প্রকার ব্যাক্টেরিয়ার বিপরীতে লড়াই করতে সক্ষম।

৩। আদাঃ সর্দি – কাশিতে মা আদা খেতে দেয়নি এমন মানুষ পাওয়া দুষ্কর। এই আদার নির্যাস যে অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল ভূমিকা রাখে, অর্থাৎ ব্যাক্টেরিয়ার বৃদ্ধিকে বাধা প্রদান করে তা গবেষণায় প্রমাণিত।

৪। লবঙ্গঃ লবঙ্গ মুখগহবরের প্রদাহে অ্যান্টিসেপ্টিক রূপে কাজ করে। এছাড়াও এটি খাদ্যশিল্পে ব্যবহৃত হয় যাতে প্রক্রিয়াজাতকৃত খাদ্যে ব্যাকটেরিয়া বংশবিস্তার না করতে পারে। অর্থাৎ লবঙ্গ একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক।

৫। দারুচিনিঃ বিভিন্ন রান্নার আলাদা একটি স্বাদ-গন্ধ যুক্ত করতে দারুচিনির জুড়ি নাই। এই দারুচিনিই কিন্তু আবার কাজ করে প্রদাহ, ইউরনারি প্রদাহ ও গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টাইনাল সমস্যা মোকাবেলায়। কেননা এতে রয়েছে অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল গুনাবলি।

৬। হলুদঃ প্রাচীনকাল থেকে হলুদ ব্যবহৃত হয়ে আসছে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে। গবেষকেরা এই হলুদ নিয়ে নানান পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে জানতে পেরেছেন যে হলুদে রয়েছে curcumin নামক একটি উপাদান যা প্রদাহ উপশমের ক্ষেত্রে কার্যকরী।

প্রাকৃতিকভাবে প্রাপ্ত এ অ্যান্টিবায়োটিক উপাদানগুলো অবশ্যই আমাদের জন্য আশির্বাদ স্বরূপ। তবে এ আশির্বাদ এর যথেচ্ছা ব্যবহার কাম্য নয়। তাই এগুলো সেবনের ক্ষেত্রে বিস্তারিত জেনে ও বিশেষজ্ঞ কারো মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া উচিৎ।

অ্যান্টিবায়োটিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের একটি কালজয়ী আবিষ্কার। কিন্তু হেলায় হারানো বলে একটা কথা প্রচলিত আছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই কথাটি অ্যান্টিবায়োটিক এর জন্য উপযুক্ত। আজকাল অ্যান্টিবায়োটিক সকলের নিকট এত সহজলভ্য হয়ে গিয়েছে যে এটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমাদের যে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে এই ব্যপারটি আমরা বেমালুম ভুলে গিয়েছি। ফলস্বরূপ আজ এমন অনেক ব্যাক্টেরিয়ার আবির্ভাব হয়েছে যেগুলোর উপর কোন ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করতে পারছে না অর্থাৎ, অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স ব্যাক্টেরিয়ার আবির্ভাব ঘটেছে। এর পিছনে আমরা সকলেই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দায়ী। এ অবস্থা যদি চলতে থাকে তবে অনাগত ভবিষ্যতে বিপর্যয় অনিবার্য। অ্যান্টিবায়টিককে আশির্বাদ রূপে থাকতে দিবেন নাকি এর থেকে অভিশাপ বয়ে নিয়ে আসবেন তা সম্পূর্ন আপনার হাতে। তাই অ্যান্টিবায়টিকে সেবনের ব্যপারে সচেতন হন। নিজে সুস্থ থাকুন এবং অন্যকে সুস্থ রাখুন।

লেখক 
জিনাতুল জাহরা ঐশী
খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান বিভাগ

 

2,116 total views, 2 views today

Any opinion ..?

Posted by pushtibarta

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *